সাবিয়া ইসলাম সাবিয়া ইসলাম
রিপোর্টার
হারিয়ে যাচ্ছে শিমুলের সৌন্দর্য

ঋতুরাজ বসন্ত মানেই একসময় রক্তলাল শিমুলে মোড়া গ্রামবাংলা। শীতের বিদায়লগ্নে পাতাহীন ডালে ডালে ফুটে ওঠা শিমুল ফুল প্রকৃতিকে দিত অনন্য এক আবহ। কিন্তু সময়ের স্রোতে সেই চিরচেনা দৃশ্য আজ অনেকটাই বিরল। দিনাজপুরসহ দেশের নানা অঞ্চলে দ্রুত কমে যাচ্ছে শিমুল গাছ।
অনেকের চোখে এটি এখন বিলুপ্তপ্রায়।
স্থানীয়রা জানান, বছর দশেক আগেও গ্রামের বাড়ির আনাচে-কানাচে, রাস্তার ধারে কিংবা মাঠের পাশে অহরহ দেখা মিলতো শিমুলের। বর্তমানে অযত্ন, বীজ বপনে অনীহা এবং কারণে-অকারণে গাছ কাটার প্রবণতায় কমে গেছে এর উপস্থিতি। অথচ শিমুল শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়-পরিবেশ ও অর্থনীতির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

স্থানীয়রা জানান, বছর দশেক আগেও গ্রামের বাড়ির আনাচে-কানাচে, রাস্তার ধারে কিংবা মাঠের পাশে অহরহ দেখা মিলতো শিমুলের। বর্তমানে অযত্ন, বীজ বপনে অনীহা এবং কারণে-অকারণে গাছ কাটার প্রবণতায় কমে গেছে এর উপস্থিতি। অথচ শিমুল শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়-পরিবেশ ও অর্থনীতির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
দিনাজপুরের রফিকুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক ও সবুর চৌধুরীরা জানান, একসময় শিমুলের তুলা কুড়িয়ে বিক্রি করে অনেকেই বাড়তি আয় করতেন। লেপ-তোষক, বালিশ তৈরিতে ছিল এর ব্যাপক ব্যবহার। ভেষজ চিকিৎসায় শিমুলের রস ও মূলের কদরও ছিল গ্রামাঞ্চলে।

