সাবিয়া ইসলাম সাবিয়া ইসলাম
রিপোর্টার
কর্মতৎপরতা বেড়েছে সচিবালয়ে

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিরাজিত স্থবিরতা কাটিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে বেড়েছে কর্মতৎপরতা। চলতি মাসে সরকার গঠনের পরই সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে মন্ত্রণালয়গুলো। সরকারপ্রধান সচিবালয়ে যথাসময়ে অফিসে আসায় মন্ত্রী, সচিব ও অন্যান্য কর্মকর্তারা সঠিক সময়ে হাজির হচ্ছেন। এতে ৯টার অফিস ৯টায়ই শুরু হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, জাতীয় নির্বাচনের মাস দুয়েক আগে থেকেই নিয়মিত কাজে স্থবির ছিল প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়। শেষ মুহূর্তের নিজেদের ব্যস্ততা নিয়ে উপদেষ্টারাও নিয়মিত অফিস করতেন না। অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও ছিলেন অনিয়মিত। সবাই তাকিয়ে ছিলেন নির্বাচনের দিকে।
কর্মতৎপরতা বেড়েছে সচিবালয়ে
♦ সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে চলছে কর্মযজ্ঞ ♦ কর্মপরিকল্পনা তৈরিতে ব্যস্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, জাতীয় নির্বাচনের মাস দুয়েক আগে থেকেই নিয়মিত কাজে স্থবির ছিল প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়। শেষ মুহূর্তের নিজেদের ব্যস্ততা নিয়ে উপদেষ্টারাও নিয়মিত অফিস করতেন না। অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও ছিলেন অনিয়মিত। সবাই তাকিয়ে ছিলেন নির্বাচনের দিকে।
শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকলেও ওইদিনও প্রধানমন্ত্রী তাঁর কার্যালয়ে উপস্থিত থেকে কাজ করেছেন। এ ছাড়া সপ্তাহের অন্য দিনগুলো সচিবালয়ে ৯টার মধ্যে উপস্থিত হচ্ছেন। অন্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা অফিসে এসেছেন কি না সে খবরও রাখছেন।
অন্য একটি সূত্র জানায়, ইতোমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচি নিয়ে জোরালোভাবে কাজ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। এ-সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভাও হয়েছে। ঈদের আগেই সারা দেশে প্রায় ১০ হাজার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার মাধ্যমে কর্মসূচির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ ছাড়া খাল খনন নিয়ে কয়েকটি মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহার শুরু হয়েছে। জোরেশোরে কাজ চলছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে। শিক্ষায় গতি ফেরাতে শিক্ষক নেতাসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নানা পরামর্শমূলক বৈঠক করছেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা। ভেঙেপড়া প্রশাসনও মেরামত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সামনে বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তাদের রদবদল আসতে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে সব মন্ত্রণালয়ে একযোগে চলছে কর্মযজ্ঞ।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচনের আগে জনপ্রশাসন যেন বিরানভূমি ছিল। ইউএনও ডিসিদের অর্ডারের পর নিয়মিত কাজও হতো না। এখন ব্যস্ততা বাড়ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সামনে বাজেট আসছে। এখন থেকেই কাজের নানা রকম চাপ আছে। নতুন সরকারের দম ফেলার সুযোগ নেই।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন, নির্বাচনের সময় কাজ কিছু কম কম। মানে ফাইলের কাজ কম ছিল। এখন নতুন সরকার, নতুন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। কাজও বুঝে নিয়েছেন, দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। ফলে কাজে সবাই তৎপর হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও জানিয়েছেন কাজে গতি বৃদ্ধির কথা।

